দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তাকে বহনকারী বিমান বেইজিংয়ে অবতরণ করে। প্রায় এক দশক পর চীন সফরে গেলেন ট্রাম্প। এর আগে ২০১৭ সালে প্রথম মেয়াদে সর্বশেষ দেশটি সফর করেছিলেন তিনি।
ট্রাম্পের এবারের সফরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাও সফরসঙ্গী হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের প্রধান ল্যারি ফিঙ্ক।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডজনখানেকের বেশি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা এ সফরে অংশ নিয়েছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চারটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমারেখা নির্ধারণ করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাস প্রকাশিত ওই সীমারেখার প্রথমটি তাইওয়ান ইস্যু। এছাড়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, উন্নয়নের পথ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং ‘চীনের উন্নয়নের অধিকার’কে বেইজিং নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
চীন জোর দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা এবং তাইওয়ানের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সরকারকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
চীনা দূতাবাস এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত, গঠনমূলক ও স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত।’
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রথমবারের মতো এই চার ‘রেড লাইন’-এর কথা উল্লেখ করেছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
এমএস/